সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা উল্লেখ করে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং কেন্দ্রসংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। বুধবার (৮ জুলাই) প্রকাশিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে কর্তৃপক্ষ জানায়, পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট সরকারি ও অফিসিয়াল উৎস থেকেই গ্রহণ করা উচিত।
জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির’ নামে একটি ভুয়া বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়, ৮ জুলাই দুপুর ১টা থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি স্পষ্ট করেছে, ওই বিজ্ঞপ্তি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। এর সঙ্গে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কিংবা আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত: বন্যা-বৃষ্টিতে চরম দুর্যোগ
কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং পরীক্ষা কেন্দ্রসংশ্লিষ্ট সবাইকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই ছাড়া বিশ্বাস বা শেয়ার না করার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, গুজবের কারণে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপও বেড়ে যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত, সময়সূচি, পরিবর্তন কিংবা নির্দেশনা কেবল শিক্ষা মন্ত্রণালয়, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়। ফলে নির্ভরযোগ্য উৎস ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ওপর নির্ভর না করার জন্য জনস্বার্থে সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ১২ বছর পর প্রাথমিকে পদোন্নতি শুরু, শিক্ষকদের জরুরি প্রজ্ঞাপন দাবি
সাম্প্রতিক সময়ে এইচএসসি ও এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া রুটিন, পরীক্ষা স্থগিতের মিথ্যা ঘোষণা এবং নকল প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এসব গুজব পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার পাশাপাশি তাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি করে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের মধ্যেও অযথা উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, এ ধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে কাজ চলছে। পরীক্ষার্থীদের প্রতি তাদের পরামর্শ, পরীক্ষা-সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া মাত্র তা অফিসিয়াল উৎস থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও ভুয়া তথ্য শনাক্তে ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি আরও জোরদার করেছে।
আমাদের আরও আপডেট পেতে চোখ রাখুন: ফেসবুক: facebook.com/DailyPerspective.tv ইউটিউব: youtube.com/@DailyPerspectivebd ওয়েবসাইট: dailyperspective.tv Instagram: instagram.com/dailyperspective.tv

